মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় বিজিবি প্রতিটি সদস্য অত্যন্ত নিষ্ঠা দক্ষতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সীমান্তে নানা পরিস্থিতিতে ফেনী সীমান্ত সুরক্ষা ও স্থানীয় জণগনের নিরাপত্তা বিধানে বিজিবি কাজ করছে।পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশকার্যক্রম গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সর্বদা সজাগ সতর্ক থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে হুঁশিয়ারি জারি করা হয়েছে। এছাড়াও, অধিকতর টহল তৎপরতার জন্য সীমান্তে জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি পুলিশ ও আনসার সদস্যরা কাজ করছেন।
ফেনীর ১০৩ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থল ও নদী সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। তবে সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের টহল এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ফেনী জেলার ৯৫ কিলোমিটার স্থল এবং ৮ কিলোমিটার নদী সীমান্ত রয়েছে। এই বিশাল সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তায় দায়িত্বে রয়েছে ফেনীস্থ ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
সীমান্তবর্তী ফুলগাজী, পরশুরাম ও ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভারতের অংশে বিএসএফ আগে লাল হ্যালোজেন লাইট ব্যবহার করলেও বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় উজ্জ্বল এলইডি লাইট, ক্যামেরা ও সেন্সর বসিয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও স্থানীয়রা সতর্ক রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়- বিজিবি, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে রাতেও সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
ফেনীস্থ ৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সতর্কতা জারি রয়েছে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিজিবির যেকোনো প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন সবধরনের সহযোগিতা করবে।