শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
খবর খুঁজুন…
সকল বিভাগ
© ২০২৬ DagonbhuiyanProtidin

দাগনভূঞা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ

শেয়ার
দাগনভূঞা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সেবার মান ও কার্যক্রম নিয়ে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. সুজন কান্তি শর্মা বর্তমানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ডেইরি ও পোল্ট্রি কনসালটেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জায়লস্কর ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট সেবাগ্রহীতাদের ভাষ্যমতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডা. সুজন কান্তি শর্মা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থেকে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। অফিস চলাকালীন সেবা নিতে আসা মানুষ তাকে দপ্তরে পেয়ে তাদের সমস্যার কথা জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। কর্মকর্তার মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা এবং যথাসম্ভব সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার ফলে সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে দপ্তরের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে।

দাগনভূঞা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালটি স্থানীয় গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও প্রাণিসম্পদ-সংক্রান্ত সেবা পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খামারি, গৃহপালিত পশুর মালিক ও পোল্ট্রি উদ্যোক্তারা নিয়মিত এখানে চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে আসেন। সেবাগ্রহীতাদের মতে, সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তার নিয়মিত উপস্থিতি ও সেবামুখী মনোভাব সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক অসুস্থতার মতো প্রতিকূলতার মধ্যেও ডা. সুজন কান্তি শর্মার দায়িত্ব পালনে সক্রিয় থাকার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এসেছে। তবে দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও সরকারি সরবরাহের মাধ্যমে পাওয়া ওষুধের পরিমাণ সবসময় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া প্রতিদিন সেবা নিতে আসা মানুষের চাপের কারণে দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালনায় কখনো কখনো বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সেবাগ্রহীতাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, প্রাণিসম্পদ খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছোট ও মাঝারি খামারিদের জন্য দ্রুত পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত কর্মকর্তার উপস্থিতি ও সরাসরি কথা বলার সুযোগ থাকায় সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমেছে এবং তারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন। দাগনভূঞাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে এ দপ্তরে সরকারি ওষুধের সরবরাহ বাড়ানো, প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা এবং প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিক সেবা আরও সম্প্রসারণ করা হবে। এতে উপজেলার খামারি ও সাধারণ প্রাণীপালনকারীরা আরও বেশি উপকৃত হবেন। সীমিত সরকারি সরবরাহ ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ডা. সুজন কান্তি শর্মার নিয়মিত উপস্থিতি ও সেবামুখী মনোভাব স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

শেয়ার করুন:
আপনার মন্তব্য লিখুন
বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

আরও